প্রতিষ্ঠানের পরিচিতি
হাজী মোঃ এখলাছউদ্দিন ভূঁইয়া উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজ
School Code – 2673
Upzilla Code – 154
College Code – 2579
District Code – 16
EIIN – 112511
ইতিহাস
হাজী মোঃ এখলাছউদ্দিন ভূঁইয়া উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজ, নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ উপজেলার তারাবো পৌরসভার যাত্রামুড়ার এখলাছনগরে অবস্থিত। ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠা করেন রূপগঞ্জে শ্রেষ্ঠ সমাজ সেবক ও শিক্ষানুরাগী আলহাজ্ব লায়ন মোঃ মোজাম্মেল হক ভূঁইয়া। তিনি তার বাবার স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে নিজ গ্রামে নিজের পিতার নামেই এই প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটি যাত্রামুড়া গ্রামে থাকলেও অতিরিক্ত শিক্ষার্থীর জায়গা সংকুলন না হওয়ায় ২০০৮ সালের পহেলা জানুয়ারি প্রতিষ্ঠানটি যাত্রামুড়া গ্রামের এখলাছ নগরে স্থানান্তরিত হয়। ২০০০ সালের পহেলা জুলাই প্রতিষ্ঠানটি এসএসসি পর্যায়ে এবং ২০১৭ সালের পহেলা জুলাই প্রতিষ্ঠানটি এইচএসসি পর্যায়ে স্বীকৃতি লাভ করে। ২০০১ সালে নিম্ন মাধ্যমিক এবং ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠানটি মাধ্যমিক পর্যায়ে এমপিওভুক্ত হয়।
৪১ শতাংশ নিজস্ব জায়গায় প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানটিতে রয়েছে পাঁচ তলা বিশিষ্ট একটি সুসজ্জিত ভবন। ভবনটির সামনে রয়েছে একটি বিশাল খেলার মাঠ খেলার মাঠের পূর্ব পাশে রয়েছে ভাষা শহীদদের স্মরণে একটি শহীদ মিনার। ভবনটির চারতলায় রয়েছে সুবিশাল মারুফ শারমিন স্মৃতি অডিটোরিয়াম, বিজ্ঞানাগার এবং ১টি গ্রন্থাগার। প্রতি তলায় রয়েছে সুপেয় পানির ব্যবস্থা এবং আধুনিক সুবিধা সম্বলিত ৩টি টয়লেট। এছাড়াও শিক্ষার্থীদের সার্বক্ষনিক ব্যবহার করার জন্য রয়েছে তিন হাজার লিটার নিরাপদ পানির রিজার্ভ ট্যাংক। শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের জন্য রয়েছে ৫টি নতুন বাস। শিক্ষার্থীদের লেকাপড়ারর মান, সার্বক্ষনিক নিরাপত্তা নিশ্চিত ও মনিটরিংয়ের জন্য রয়েছে প্রত্যেক ক্লাসরুমে সিসি ক্যামেরা ও সাউন্ড সিস্টেম। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে সাড়ে ১১শত শিক্ষার্থী লেখাপড়া করছে। প্রতিষ্ঠানটির লেখাপড়ার মান অনেক ভালো। জেএসসি এসএসসি ও এইচএসসি পর্যায়ের ফলাফল সব সময় শতকরা শতভাগ।
ইতিহাস
হাজী মোঃ এখলাছউদ্দিন ভূঁইয়া উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজ, নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ উপজেলার তারাবো পৌরসভার যাত্রামুড়ার এখলাছনগরে অবস্থিত। ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠা করেন রূপগঞ্জে শ্রেষ্ঠ সমাজ সেবক ও শিক্ষানুরাগী আলহাজ্ব লায়ন মোঃ মোজাম্মেল হক ভূঁইয়া। তিনি তার বাবার স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে নিজ গ্রামে নিজের পিতার নামেই এই প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটি যাত্রামুড়া গ্রামে থাকলেও অতিরিক্ত শিক্ষার্থীর জায়গা সংকুলন না হওয়ায় ২০০৮ সালের পহেলা জানুয়ারি প্রতিষ্ঠানটি যাত্রামুড়া গ্রামের এখলাছ নগরে স্থানান্তরিত হয়। ২০০০ সালের পহেলা জুলাই প্রতিষ্ঠানটি এসএসসি পর্যায়ে এবং ২০১৭ সালের পহেলা জুলাই প্রতিষ্ঠানটি এইচএসসি পর্যায়ে স্বীকৃতি লাভ করে। ২০০১ সালে নিম্ন মাধ্যমিক এবং ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠানটি মাধ্যমিক পর্যায়ে এমপিওভুক্ত হয়।
৪১ শতাংশ নিজস্ব জায়গায় প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানটিতে রয়েছে পাঁচ তলা বিশিষ্ট একটি সুসজ্জিত ভবন। ভবনটির সামনে রয়েছে একটি বিশাল খেলার মাঠ খেলার মাঠের পূর্ব পাশে রয়েছে ভাষা শহীদদের স্মরণে একটি শহীদ মিনার। ভবনটির চারতলায় রয়েছে সুবিশাল মারুফ শারমিন স্মৃতি অডিটোরিয়াম, বিজ্ঞানাগার এবং ১টি গ্রন্থাগার। প্রতি তলায় রয়েছে সুপেয় পানির ব্যবস্থা এবং আধুনিক সুবিধা সম্বলিত ৩টি টয়লেট। এছাড়াও শিক্ষার্থীদের সার্বক্ষনিক ব্যবহার করার জন্য রয়েছে তিন হাজার লিটার নিরাপদ পানির রিজার্ভ ট্যাংক। শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের জন্য রয়েছে ৫টি নতুন বাস। শিক্ষার্থীদের লেকাপড়ারর মান, সার্বক্ষনিক নিরাপত্তা নিশ্চিত ও মনিটরিংয়ের জন্য রয়েছে প্রত্যেক ক্লাসরুমে সিসি ক্যামেরা ও সাউন্ড সিস্টেম। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে সাড়ে ১১শত শিক্ষার্থী লেখাপড়া করছে। প্রতিষ্ঠানটির লেখাপড়ার মান অনেক ভালো। জেএসসি এসএসসি ও এইচএসসি পর্যায়ের ফলাফল সব সময় শতকরা শতভাগ।
লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য
সু-শিক্ষাই নৈতিকতার ভিত্তি। তাই আধুনিক শিক্ষাকে যুগোপযোগী পূর্ণাঙ্গ ও স্বার্থকরূপ দান করার ক্ষেত্রে বিজ্ঞান ও কল্যাণমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা প্রবর্তন করা অপরিহার্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থায় সনদ সর্বস্ব শিক্ষা প্রসারের প্রয়াস লক্ষনীয়। যার ফলে নামমাত্র শিক্ষিত মানুষ তৈরী হচ্ছে, কিন্তু দক্ষতা সম্পন্ন মানুষের অভাব থেকেই যাচ্ছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের লক্ষ্যে আদর্শ ও দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে আমাদের এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অপরিসীম গুরুত্ব আরোপ করা হয়।
১) আদর্শিক শিক্ষার আলোকে প্রতিটি শিক্ষার্থীকে জ্ঞান বিকাশে গতিশীল করার প্রচেষ্টা বজায় থাকে।
২) ছাত্র/ছাত্রীদের মধ্যে ধর্মীয়, নৈতিক ও জাতীয় মূল্যবোধ সৃষ্টি করে কর্তব্যপরায়ণ ও দায়িত্ব সচেতন নাগরিকরূপে গড়ে তোলা যাতে তারা ভবিষ্যতে দেশ ও জাতি গঠনে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে পারে।
৩) সমৃদ্ধশালী জাতি গঠন করার জন্য আত্মপ্রত্যয়ী ও স্বাবলম্বী মানব সম্পদ সৃষ্টি করা।
৪) শিক্ষার সর্বোচ্চ মান নিশ্চিত করণে ও চাহিদার আলোকে প্রয়োজন মাফিক নতুন নতুন কার্যকরী পদ্ধতি অনুসরণ করাই আমাদের অন্যতম লক্ষ্য।
৫) বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় বিদ্যালয় ও অভিভাবকের মধ্যে সুষ্ঠ যোগাযোগ ও সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে শিক্ষার মান উন্নয়ন করা।
৬) প্রতিটি ছাত্র-ছাত্রীকে জাতির সঠিক ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সাথে পরিচয় করিয়ে সঠিক জ্ঞানদানের মাধ্যমে দেশের দায়িত্বশীল ও যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা।
সর্বোপরি ছাত্র-ছাত্রীদের সুশিক্ষিত, শিষ্ঠাচারী ও আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলাই আমাদের মূল লক্ষ্য।
ভৌত অবকাঠামো
ভবন – ১টি ৫ তলা বিশিষ্ট
জমির পরিমান – ৪১ শতাংশ
শ্রেণি কক্ষ – ১৯ টি
মাল্টিমিডিয়া রুম – ১টি
পরিবহন বাস – ৬টি
গাড়ি – ১টি
মুক্তিযুদ্ধ ও মুজিব যাদুঘর – ১টি
প্রশাসনিক কক্ষ – ৫টি
সার্ভার রুম – ১টি
বিজ্ঞানাগার – ১ টি
পাঠাগার – ১টি
অডিটরিয়াম – ১টি
পুরুষ টয়লেট – ১০টি
মহিলা টয়লেট – ৯ টি
ওয়াশ ব্লক – ৫টি
গভীর নলকূপ – ২টি
কম্পিউটার – ৪টি
ল্যাপটপ – ২টি
প্রজেক্টর – ২টি
প্রিন্টার ও স্ক্যানার – ৩টি
ব্যাঞ্চ – ৫০০ জোড়া
সি.সি.টি.ভি ক্যামেরা – ২৭টি
উচ্চ গতি সম্পন্ন ইন্টারনেট – সার্বক্ষনিক
ভৌত অবকাঠামো
ভবন – ১টি ৫ তলা বিশিষ্ট
জমির পরিমান – ৪১ শতাংশ
শ্রেণি কক্ষ – ১৯ টি
মাল্টিমিডিয়া রুম – ১টি
পরিবহন বাস – ৬টি
গাড়ি – ১টি
মুক্তিযুদ্ধ ও মুজিব যাদুঘর – ১টি
প্রশাসনিক কক্ষ – ৫টি
সার্ভার রুম – ১টি
বিজ্ঞানাগার – ১ টি
পাঠাগার – ১টি
অডিটরিয়াম – ১টি
পুরুষ টয়লেট – ১০টি
মহিলা টয়লেট – ৯ টি
ওয়াশ ব্লক – ৫টি
গভীর নলকূপ – ২টি
কম্পিউটার – ৪টি
ল্যাপটপ – ২টি
প্রজেক্টর – ২টি
প্রিন্টার ও স্ক্যানার – ৩টি
ব্যাঞ্চ – ৫০০ জোড়া
সি.সি.টি.ভি ক্যামেরা – ২৭টি
উচ্চ গতি সম্পন্ন ইন্টারনেট – সার্বক্ষনিক




